বাংলাদেশে মানবতা বিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
ফলে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকল। গতকাল রিভিউ পিটিশনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেছিল আপিল বিভাগ।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, "এর মধ্য দিয়ে তার মামলার আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেল। এখন আসামী পক্ষ চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষা চাইতে পারেন। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে দেখা করিয়ে রায় কার্যকরের পদক্ষেপ নেয়া হবে"।
এদিকে আসামী পক্ষের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, মিস্টার কামারুজ্জামান রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা সে বিষয়ে আজই তার সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিস্টার কমারুজ্জামানকে ২০১৩ সালের ৯ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ফাঁসির আদেশ দেন।
তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা এবং খুনের অভিযোগসহ মোট পাঁচটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগে বলা হয়েছিল, একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মি. কামারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ছাত্রসংঘের ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, দেশত্যাগে বাধ্য করা-সহ মানবতা বিরোধী অপরাধের মোট সাতটি অভিযোগ আনা হলেও ৫টি অভিযোগ প্রমাণিত হয় বলে জানান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের একজন আইনজীবী তুরীন আফরোজ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন জানান মিস্টার কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা।
তবে আপিল বিভাগ ফাঁসির ওই আদেশই বহাল রাখেন। তখনই মিস্টার কামারুজ্জামানের একজন আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানিয়েছিলেন তারা এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন।
এরপর গত ৫ মার্চ ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করে আসামি পক্ষ।
২০১০ সালে মিস্টার কামারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ফলে তার মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকল। গতকাল রিভিউ পিটিশনের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ঠিক করেছিল আপিল বিভাগ।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, "এর মধ্য দিয়ে তার মামলার আইনগত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেল। এখন আসামী পক্ষ চাইলে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাভিক্ষা চাইতে পারেন। তবে ক্ষমা ভিক্ষা না চাইলে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে দেখা করিয়ে রায় কার্যকরের পদক্ষেপ নেয়া হবে"।
এদিকে আসামী পক্ষের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, মিস্টার কামারুজ্জামান রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা সে বিষয়ে আজই তার সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মিস্টার কমারুজ্জামানকে ২০১৩ সালের ৯ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ফাঁসির আদেশ দেন।
তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা এবং খুনের অভিযোগসহ মোট পাঁচটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগে বলা হয়েছিল, একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মি. কামারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ছাত্রসংঘের ময়মনসিংহ জেলার সভাপতি ছিলেন।
তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, দেশত্যাগে বাধ্য করা-সহ মানবতা বিরোধী অপরাধের মোট সাতটি অভিযোগ আনা হলেও ৫টি অভিযোগ প্রমাণিত হয় বলে জানান ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের একজন আইনজীবী তুরীন আফরোজ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন জানান মিস্টার কামারুজ্জামানের আইনজীবীরা।
তবে আপিল বিভাগ ফাঁসির ওই আদেশই বহাল রাখেন। তখনই মিস্টার কামারুজ্জামানের একজন আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানিয়েছিলেন তারা এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন।
এরপর গত ৫ মার্চ ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করে আসামি পক্ষ।
২০১০ সালে মিস্টার কামারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের ফাঁসির রায় বহাল
Reviewed by Unknown
on
10:51:00 AM
Rating:
Reviewed by Unknown
on
10:51:00 AM
Rating:

No comments: